img

বেষ্ট ওয়ালটন ফ্রিজের মডেল ২০১৯

/
/
/
1245 Views

 

কম খরছে দেশীয় পণ্য কিনে হউন ধন্য । তবে যদি দেশী পণ্যে মান বিচার করেন তাহলে ওয়ালটনের কথা আগে আসবে।

বাজারে ৫৫ টিরও বেশি নতুন মডেলের  ফ্রীজ নিয়ে এসেছে ওয়ালটন। যার মধ্যে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি ফ্রষ্ট প্রায় ৪০টি মডেল এবং নন ফ্রষ্ট ৮ টি।

বাজারে নতুন ৬ টি মডেল নিয়ে এসেছে ডিপ ফ্রিজ।

ফ্রষ্ট ফ্রিজের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আলোচনা  ?

চোখ ধাধানো নতুন ডিজাইন ও কালারের ১৬ টিরও বেশি টেম্পারেড গ্রাস ডোর রেফ্রিজারেট। বর্তমান বাজারে দেখা যাচ্ছে গ্লাস ডোর ফ্রস্ট ফ্রিজ বাজারে খুব ভাল চলছে। ফ্রস্ট ফ্রিজের মূল্য ২৪ হাজার ৫০০টাকা থেকে ৩৬ হাজার ৮০০ টাকা পর্যন্ত। ছোট ফ্যামলি কিংবা ব্যাচেলার পরিবার যাদের বড় ফ্রিজ প্রয়োজন নেই।তাদের জন্য উপযোগী ৫০ লিটার ও ১০৭ লিটার ধারনক্ষমতা দুটি নতুন মডেলের ফ্রষ্ট ফ্রিজ বাজারে ছেড়েছে ওয়ালটন। যার ক্রয়মূল্য গ্রাহকের ক্রয় করার সামর্থ্য রাখে। যথা ১০হাজার ৯শত থেকে ১৪ হাজার ২শত টাকা। সবচেয়ে খুশির খবর হল বি আর টি সি হতে অনুমোদিত ২৫৪ লিটারের ফ্রষ্ট  ব্যাপক বিদ্যু্ত্ৰ সাশ্রয়ী।

ওয়ালটনের সকল ধরনের নন-ফ্রষ্ট ফ্রিজের মধ্যে ৮ টি নন-ফষ্ট ফ্রিঝ উল্লখ যোগ্য। এর মধ্যে আছে তিন দরজা বিশিষ্ট বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ইন্টেলিজেন্ট সর্বাধুনিক নন-ফষ্ট ৪৫৫ লিটার ও ৪৫২ লিটারের। আরও আছে সাইড বাই সাইড দুই দরজা বিশিষ্ট ৫০১ লিটারের ফ্রিজ।

ফাইব স্টার সনদ প্রাপ্ত নন-ফ্রস্ট রেফিজারেট ৩২৮ লিটারের।

এর পাশাপাশি ওয়ালটনের ১৪ টি ডিপ ফ্রিজ রয়েছে সম্পূর্ন আধুনিক প্রযুক্তির। যার দাম পড়বে ১৯ হাজার ৫শত থেকে ৩১ হাজার ৩ শত টাকা।

বাজারে নতুন এসেছে ৬ ডিপ ফ্রিজ সব মিলিয়ে ২৯ টি ফ্রিজ আপকামিং তালিকায় দেখা যায়।

প্রকৌশলি ফ্রিজ উন্নয়ন গবেশনা বিভাগের প্রধান জানান ৯-লেয়্যার ভিসিএম ডোর ব্যবহার করেন ওয়ালটনের দরজায়। যার ফলে সহজে দাগ কিংবা মরিচা পড়বে না।

নিজস্ব কারখানায় তৈরি হচ্ছে ওয়ালটন ফ্রিজ। ওয়ালটন ফ্রিজে ব্যবহার করা হচ্ছে বিশ্ব স্বীকৃত  পরিবেশবান্ধব এইচএফসি গ্যাসমুক্ত আর৬০০এ রেফ্রিজারেন্ট। যার ফলে পরিবেশের উপর কোন ক্ষতিকর প্রভাব বিস্তার করবে না।

 

ওয়ালটনের পণ্য কেবল স্বদেশে মানুষের চাহিদা পূরন করছে না। ওয়ালটন পন্য মান ভাল হওয়া বিশ্বের ২০ টির অধিক দেশে রপ্তানি করে।

আইএসও সনদ প্রাপ্ত সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের  দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে সক্ষম ওয়ালটন। ওয়ালটন গুনে মানে সবার থেকে এগিয়ে। কারন বছরে মোট যতগুলো ফ্রিজ বিক্রি হয় তার মধ্যে ৭৫ থেকে ৮০ শতাংশ ফ্রিজ ওয়ালটনের বিক্রি হয়। ওয়ালটন কোম্পানি বছরে প্রায় ১৫ বিক্রির টার্গেট রাখে। যা অন্য সকল কোম্পানির ক্ষেত্তে সম্ভব নয়। অতএব উপরোক্ত আলোকে আমরা কি ভলতে পারি না। ওয়ালটন গুনে মানের দেশীয় পন্য।

 

অতএব আমি ব্যাক্তি গত ভাবে মনে করি ওয়ালটন সবার সেরা। ওয়ালটন সবোর্ত্তম সার্ভিস দিতে সক্ষম। তাই ওয়ালটনের পন্য কিনি এবং সুষ্ট সেবা নেই

ধন্যবাদ

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar