img

মেট্রোরেল চালু হলে ঢাকা শহরে কি কি সুবিধা থাকছে

/
/
/
214 Views

ঢাকা বাংলাদেশের রাজধানী। যে রাজধানীতে ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মানুষের বসবাস। আর পৃথিবীর যানযট যুক্ত শহর গুলোর মধ্যে ঢাকা একটি শহর। যার কারণে কোটি লক্ষ মানুষদের দিনের পর দিন নানা ভোগান্তির মধ্য দিয়ে সময় পার করতে হচ্ছে। মানুষের সেই ভোগান্তি দূর করার জন্য, ঢাকা কে যানযট মুক্ত করার জন্য বর্তমান সরকার ২০১২ সালে ১৮ ডিসেম্বর ঢাকা মেট্রোরেলের পরিকল্পনা  করেন। যতিও একটা সময় মানুষের স্বপ্ন ছিল। তারপরে ২০১৬ সালে এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন। যা ঢাকা শহরের মানুষের এত দিনের স্বপ্ন ছিল তা পূরণ হতে চলেছে। কারণ যে দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা যতটা দ্রুতগামী সেই দেশে ততটাই যানযট মুক্ত। তাই দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুতগামী করার লক্ষ্য মেট্রোরেল প্রকল্প। মেট্রোরেল চালু হলে ঢাকা শহরের চিত্র পালটে যাবে।

মেট্রোরেল প্রকল্পের বিস্থারিত

বাংলাদেশের যানযট যুক্ত রাজধানী ঢাকা স্থাপন করা হচ্ছে মেট্রোরেল। এই প্রকল্পের  পর্যালোচনা করবে ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানযিট (MRT)।আর এই প্রকল্পের  নাম দেওয়া হয়েছে ঢাকা ম্যাস র‌্যাপিড ট্রানযিট ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট। কাজ চলমান কৃত মেট্রোরেলের দৈর্ঘ্য ২০.১০ কি.মি.। উত্তরা থেকে মতিঝিল দুই দিক থেকে ঘন্টায় ৬০ হাজার যাত্রী পরিবহন করা সম্ভব হবে। স্টেশন থাকবে ১৬টি- উত্তরা উত্তর, উত্তরা সেন্টার, উত্তরা দক্ষিণ, পল্লবী, মিরপুর-১১, মিরপুর-১০, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, আগারগাঁও, বিজয় সরণি, ফার্মগেট, কারওয়ান বাজার, শাহবাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ সচিবালয় ও মতিঝিল। প্রথমত ২৪টি আধুনিকয়ান ইলেক্ট্রিসিটি ট্রেন চলাচল করবে। ট্রেন চলাচলের সময় সকাল ৬টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত। এই ট্রেনের মধ্য দিয়ে ১৬৯৬ জন যাত্রী চলাচল করতে পারবে। প্রত্যক স্টেশনে রেল ৪০ সেকেন্ড অন্তঃ সময় দাড়াবে। ট্রেন চলাচলের জন্য প্রতি ঘন্টায় ১৩.৪৭ মেঘাওয়াট বিদ্যুৎ দরকার। তাই এর জন্য পাঁচটি বিদ্যুৎ উপকেন্দ্র স্থাপন করা হবে। মেট্রোরেলের জন্য বিদ্যুৎ দিবে জাতীয় গ্রিড। ২০১৯ সালের মধ্য ১১ কি.মি. পথ চালু করার কথা রয়েছে।

  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest
  • Leave a Comment

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    This div height required for enabling the sticky sidebar