img

রমজানে ইফতার ও সেহরির একটি আদর্শ খাবার তালিকা

/
/
/
479 Views

আসন্ন পবিত্র মাহে রমজান। রমজান মাস মুলমানের সংযমের মাস। এই মাসে মুসলমানদের অনেক নিয়ম কানুন মেনে চলতে হয়। মুসল্লিরা রমজান মাসকে কেদ্র করে আগে থেতেই অনেক আয়োজন করে থাকেন। বিভিন্ন পরিকল্পনা করে কাজ করে থাকেন। যেমন সসয় মেন্টেন্ট করা, রমজানে কি কি খাবার খাওয়া উচিত, রমজানের খাবার তালিকা করা, ঈদের  পস্তুতি সহ অনেক কিছু। কিন্তু অপরিকল্পিত খাবার খেয়ে মানুষ নানাভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ে। তাই রমজানে কি কি খাবার খেলে মানুষ সুস্থ থাকবে তা জানার জন্য নিচের পুষ্টটি ভাল ভাবে সবটা পড়ুন।

রমজানে কি কি খাবার খাওয়া উচিৎ এবং রমজানে খাবার তালিকা

মুসলমানরা রমজান মাসে অনেক কষ্ট করে রোজা রাখেন। কারণ রোজা ইাসলাম ধর্মের ফরজ কাজ। তাই তারা সকল কাজ করার পাশাপাশি রোজা রাখতে সম্মত হন। মাঝে মাঝে কষ্ট করে তারা যে রোজা রেখে কি খাবার খাবে তা স্বরণ থাকে না। ইফতারকে কেন্দ্র করে রাস্তার পুটপাতে অনেক ধরণের হোটেল, খাদ্যসামগ্রীর দোকানে নানা স্বাদের ও নানা গন্ধের ইফতার বিক্রি করে থাকে।কিন্তু তা কি আসলেই ভাল খাবার? না এ্ড খাবার আসলেই ভাল হতে পারে না কারণ এ্ড খাবারে রাস্তার অনেক ধরণের দুলা বালি মায়লা বসে তাই আমরা খাই। এ্ড কারণে আমাদের অসুস্থ হয়ার সম্ভবনা রয়েছে। রোজদার মানুষের সাস্থসম্মত খাবার খাওয়া উচিৎ। তাতে স্বাস্থ্যের ঝুকি থাকে না। আমি মনে করি ইফতারে খাবার বাসা থেকে তৈরী করাই ভাল। এতে কোন ক্ষতি হয়ার সম্ভাবনা নাই।

রমজানের খাবার তালিকা (ইফতারে যা যা খাবেন)

 ইফতারে বেশি বেশি ক্যলরি সমৃদ্ধি এবং সহজে যে খাবার খেলে তাড়াতাড়ি হজম হয় এমন খাবার খেতে হবে। অতিরিক্ত ভাজাপোড়া বা মশলাযুক্ত খাবার খেলে আপনার বুক জ্বালাপোড়া হতে পারে তাই রমজানের খাবার তালিকা করে নিন। যা আপনার ইফতারের উত্তম খাবার হয়,

ফলমূল: মানুষে বলে যে ফল খেলে ভল হয়। তা ঠিক সারাদিন রোজা রাখলে শরীরের একটা ঘাঠতি হয় আর সেই ঘাঠতি পূরণের বা শক্তির জন্য আপনি ইফতারের সময় কিছু ফল খেতে পারের।

খেজুর: খেজুর ইফতারের একটি অন্যতম খবার। খেজুরে চিন, ফাইবার, শর্করা, পটাশিয়াম এবং ম্যগনেশিয়ামের উৎস।ইফতারে ২-৩টি খেজুর খেলে আপনার শরীর চাংগা থাকবে।

ফলের শরবত: ফলের শরবত খেলে আপনার শরীরের শক্তি যোগান করে।

লেবুর শরবত: লেবুর শরবত খেলে ভিটামিন ও লবণের ঘাঠতি পূরণ করে।

ভাজাপোড়া: ইফতারে জনপ্রিয় খাবার হল ভাজপোড়া। এই ভাজাপোড়া খাবার খেলে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ে। ইফতারে মিষ্টি জাতীয় ও ভাজাপোড়া খাবার অল্প খাবেন। তাতে কোন সমস্যা হবে না।

ডাবের পানি: ইফতারের পর সারদিনের পানিস্বল্পতা এবং শরীরকে দূষণমুক্ত করার জন্য প্রচুর পরিমানের পানি পান করা দরকার। আর ডাবের পানি সব সময় উপকার করে। রোজা রাখার পরে ডাবের পানি বা সাদা পানি বেশি করে খেলে আপনার সারদিনের পানির ঘাঠতি পূরণ করে।

কাচাঁ ছোলা: কাচাঁ ছোলা একটি ভিটামিন জাতীয় খাবার এই ছোলা অনেকেই খেতে পারে না। ইফতার বা সকালে কাচাছোলা খাওয়ার অভ্যান থাকা ভাল।

পেয়াজু ও বেগুনী: পেয়াজু ও  বেগুনী এগলো ভাজা পোড়ার মধ্যে পরে

ডালের তৈরী ভাজা: ডাল ভাজা ইফতারের একটি প্রিয় খাবার। এগুলো কম তেল দিয়ে খেলে কোন সমস্যা হয়না।

ভাজা মুড়ি: ইফতারের একটি অন্যতম খাবার হল ভাজা মুড়ি। মুড়ি না হলে ইফতার যেন বাঙ্গালীর অসম্পূর্ন থেকে যায়্। ইফতারে মুড়ি চিরা খাওয়া ভাল।

রমজানের খাবার তালিকা (সেহেরীতে যা যা খাবেন)

সেহেরীর সময় রোজদাররা মনে করে যে এখন পেট ভরে খাইলে সারাদিন থাকতে পারব। কিন্তু তা একেভারেই ঠিক কথা না। সেহেরীতে পেট ভরে খাওয়া ভাল না। সেহেরীতে কম খাবার খেয়ে রোজা থাকা উচিৎ। সেহেরীতে মাংস, ডাল, ডিম ইত্যাদি খেতে পারেন। এগুলো খেলে আপনার শরীরের এনার্জি ঠিক থাকবে। এতে আপনার গ্লুকোজ ক্ষয় বেশি হয় না এবং তাতে আপনার ক্লান্তি আসেনা। শরীরকে চাংগা রাখে। খাবার শেষে ছোট বড় সকলের কম করে এক কাপ দুধ খওয়া দরকার যা চাহিদা মতো প্রোটিন বা আমিষ এর ঘাঠতি দূর করে।

রমজানের সময়সূচি জানার জন্য এখানে ক্লিক করেন

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

1 Comments

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar