img

রমজান মাসের সুনির্দিষ্ট ভাবে নিয়ম পালন করে রোজা রাখার পদ্ধতি

/
/
/
182 Views

এসেছে মাহে রমজান মাস। রমজান মাস মুসলমানের সংযমের মাস। ইসলামিক বর্ষপঞ্জিকা অনুসারে রমজান মাস হল নবম মাস। এই মাসে অনেক নিযম কানুন রয়েছে। রমজান মাসে মুসলমানরা সাওম পালন করে। প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়স্করা সারা দিন উপবাস থাকে যেটাকে মুসলমানরা রোজা বলে

রমজান মাসকে তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

১। প্রথম ১০ দিন হল রহমতের মাস।

২। দ্বিতীয় ১০ দিন হল মাগফিরাত এর মাস এবং

৩। তৃতীয় ১০ দিন হল নাজাতের মাস।

আল্লাহ পাক হলেন অধিক করুনাময়। কারণ এই মাসে আল্লাহের উদ্দেশ্য যে রোজা রাখে আল্লাহ তার গোনা মাফ করে দেয়। রোজা রাখার ফলে অধিক হারে বান্দার পাপরাশি মোচন হয়। বান্দা পায় মুক্তি ও পরিত্রানের কাঙ্কিত সফলতা। রমজান মাসের রোজা মহান আল্লাহর সান্নিধ্য লাভের  অন্যতম মাধ্যম। মহান আল্লাহ পাক পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেছেন- “হে ঈমানদার গণ তোমাদের উপর রোজা ফরজ করা হয়েছে” যেমন করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের উপর যাতে তোমরা মুক্তাকী অর্জন করতে পারো। রোজা রাখার কিছু  সুন্নাত আছে যথা

রোজার সুন্নাসমূহ হলঃ

১। শেষ রাতে সেহেরী খাওয়া হল রোজার প্রথম সুন্নাত।

২। সেহেরী খাওয়ার একটা টাইম আছে ঠিক টাইম মতো সেহেরী খাওয়া শেষ করতে হবে।

৩। ইফতারের সময় ইফতার করা।

৪। কোন ফলমূল বা খেজুর দ্বারা ইফতার করা সুন্নাত।

৫। ইফতার করার আগে “বিসমিল্লাহি ওয়া আলা বারাকাতিল্লাহ” বলে ইফতার করা শুরু করতে হবে।

মুসলমানেরা রোজা রাখে আল্লাহকে ভয় করে কিংবা তাদের মানস কামনা জন্য, যাই হোক না কেন তারা যদি যানতে পারে যে তাদের একটু ভুলের জন্য তাদের সারাদিনের রোজা রাখা বিতায় গেছে তাহলে আশা করি যে সাবারই খারাপ লাগবে এটাই স্বাভিক। তাই আমরা যেনে নেই যে আমাদের রোজা কিকি কারণে ভেঙ্গে যেতে পারে। এবং তা থেকে আমরা বিরত থাকি।

রোজা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণসমূহঃ

মিথ্যা কথা বলা: রোজা রেখে মিথ্যা কথা বললে রোজা ভেঙ্গে যায়। কারণ মিথ্যা কথা বলা হল মহা পাপ। তাই আমরা রোজা রেখে বা কোন কারণে মিথ্যা কথা না বলি।

নামাজ না পড়া: রোজা রেখে যারা নামাজ পড়ে না তাদের রোজা ভেঙ্গে যায়। কারণ নামাজ পড়া সকল মুসলমানের কর্তব্য।

স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে: স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে রোজা ভেঙ্গে যায়। কারণ এই মাস হল মুসলমানের সংযমের মাস। এই মাসে তাদের পবিত্রা থাকা খুবই দরকার। তাই রোজা রেখে স্ত্রীর সাথে সহবাস করলে রোজা ভেঙ্গে যায়।

উপরের গুলো ছাড়াও আরো কিছু নিয়ম আছে যা মানতে হবে না হলে রোজা ভেঙ্গে যেতে পারে। তা হল–

  • কুলি করার সময় হলকের নিচে পানি চলে গেলে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • ইচ্ছাকৃত মুখভারে বমি করলে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • নাকে বা কানে ও্রষধ বা তেল ব্যবহার করলে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • ইনেজকশন বা স্যালাইনে করে ওষধ পৌচালে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • তুথু গিলে পেললে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • ইচ্ছাকৃত ভাবে পান খাইলে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • কোন দিকে খারাপ দৃষ্টিতে তাকালে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • রোজা রেখে চুরি করলে রোজা ভেঙ্গে যায়
  • ইচ্ছাকৃতভাবে আগরবাতি  বা কোন সুগ্ধকর এর কাছে গেলে রোজা ভেঙ্গে যায়

অতএব আমরা যে কাজ গুলো বর্জনীয় সেই কাজগুলো থেকে বিরত থাকব এবং যে কাজগুলো ভাল সেই কাজগুলো করব। তাহলে আল্লাহ পাক আমাদের গোনাহগুলোকে মাফ করে দিবে।

রমজানের মাসের ইফতারের সময়সূচি জানতে এখানে> ক্লিক করুন

রমজানের মাসের ইফতারের রেসিফি সমন্ধে ধারনা পেতে এখানে> ক্লিক করুন

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This div height required for enabling the sticky sidebar